Gazi Online School

Welcome to Gazi Online School. One of the largest Outstanding online learning platforms in Bangladesh. Click Menu to find your expected articles. Stay with Gazi Online School for better learning.

বাক্য সংকোচন (এক কথায় প্রকাশ)

বাক্য সংকোচন (এক কথায় প্রকাশ)

বাক্য সংকোচনঃ বাক্যের অনেক শব্দকে বা উপবাক্যকে এক শব্দে প্রকাশ করাই হচ্ছে বাক্য সংকোচন।
বাক্য সংকোচনের প্রয়োজনীয়তাঃ ভাষার মাধুর্য, উৎকর্ষ সাধন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ভাষায় বাক্য সংকোচন প্রয়োজন। বাক্য সংকোচন জানা থাকলে স্বল্প কথায় অনেক কথা বুঝাবার সামর্থ্য বৃদ্ধি পায়। ভাষাকে সমৃদ্ধ, সাবলীল ও গতিময় করার জন্য বাক্য সংকোচন জানা প্রয়োজন।




অন্যভাবে বলা যায়, 

যখন দুই ততোধিক পদকে সংক্ষেপ করে একটি মাত্র পদে পরিণত করা হয়, তখন তাকে এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন বলে। যেমন- অনেকের মাঝে একজন- অন্যতম। এককথায় প্রকাশের ফলে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ভাষা শ্রুতিমধুর হয়।

নিচে কতিপয় বাক্য সংকোচনের উদাহরণ দেওয়া হলোঃ-

অ’ সিরিয়াল

অগোচরে = পরোক্ষ
অরিকে দমন করে যে = অরিন্দয়
অক্ষির সম্মুখে বর্তমান = চাক্ষুষ/প্রত্যক্ষ
অনুতে (পশ্চাতে) জন্মেছে যে = অনুজ
অগ্রে গমন করেছে যে = অগ্রগামী
আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত = আদ্যন্ত
অগ্রে জন্মগ্রহণ করেছে = অগ্রজ
অনেক কষ্টে যাওয়া যায় সেখানে = দুর্গম
অকালে পেকেছে যে = অকালপক্ক
অল্প কথা বলে যে = অল্পভাষী
অনেকের মধ্যে একজন = অন্যতম
অপকার কার ইচ্ছা = অপচিকীর্ষা
অতি দীর্ঘ নয় = নাতিদীর্ঘ
অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার = অনভিজ্ঞ
অনুসন্ধান করা ইচ্ছা = অনুসন্ধিৎসা
অশ্বের ডাক = হ্রেষা
অহংকার নেই যায় = নিরহংকার
অনেক দেখেছে যে = বহুদর্শী
অলংকারের ঝঙ্কার = শিঞ্জন
অস্থায়ী বাসস্থান = বাসা
অীত শীতল যা বা যে = সুশীতল
অকালে যে বোধন (জাগরণ) করে = অকালবোধন
অতি প্রিয় যে = প্রিয়তম
অগ্রে বর্তমান যে = অগ্রবর্তী
অনেক সহজ সরল যা = প্রাঞ্জল
অনুকরণ করবার ইচ্ছা = অনুচিকীর্ষা
অনেক দল বা পাঁপড়ি যার = শতদল
অকালে জাত কুমড়া = অকালকুষ্মান্ড
অভিজ্ঞতা রয়েছে যার = অভিজ্ঞ
অন্য দিকে মন নেই যার = অনন্যমনা
অত্যন্ত বিজ্ঞ যে = প্রাজ্ঞ
অনুসন্ধান করতে ইচ্ছুক = অনুসন্ধিৎসু
অগ্রে দান নেয় যে ব্রাহ্মণ = অগ্রদানী
অপকার করতে ইচ্ছুক = অপচিকীর্ষূ
অন্য ভাষায় পরিবর্তন = অনুবাদ
অভ্রলেহন করে যে = অভ্রংলেহী
অন্য লিঙ্গে রূপান্তর = লিঙ্গান্তর
অবসরের অভাব = অনবসর
অহংকার করে যে = অহংকারী
অন্য দেশ = দেশান্তর

আ’ সিরিয়াল

আকাশে চরে বেড়ায় যে – খেচর
আপনাকে ভুলে থাকে যে- আত্মভোলা
আকাশে গমন করে যে- বিহঙ্গ
আল্লাহকে বিশ্বাস করে যে- আস্তিক
আট মাসে জন্মেছে যে- আটাশে
আল্লাহকে বিশ্বাস করে না যে – নাস্তিক
আপনাকে কেন্দ্র করে যা চিন্তা – আত্মকেন্দ্রিক
আপনাকে পন্ডিত মনে করে যে- পন্ডিতম্মন্য
আপনার রং (বর্ণ) লুকায় যে- বর্ণচোরা
আমিষের অভাব- নিরামিষ
আঠামুক্ত যা – আঠাল
আয়ুর জন্যে হিতকর- আয়ুব্য
আচারে নিষ্ঠা আছে যার- আটপৌরে
আদিকালের বিষয় – আদিম
আট প্রহর যা পরা যায়- আরাধ্য
আধরণের উপযুক্ত – আবরনীয়
আচরণের যোগ্য – আচরণীয়
আত্মা বা আত্ম সম্পর্কীয়- আত্মীয়
আকাশের মতো রং – আকাশি
আষাঢ় মাসে পাকে যে- আষাঢ়ে
আসমানের মতো রং- আসমানি

ই থেকে ঔ  সিরিয়াল

ইন্দ্রেকে জয় করেছে যে – ইন্দ্রজিৎ
ঊষার আদি বা প্রথম – প্রত্যুষ
ইন্দ্রয়কে জয় করেছে যে – জিতেন্দ্রিয়
ঋণদান করে যে- উত্তমর্ণ
ইতিহাস যিনি ভালো জানেন – ইতিহাসবিদ
ঋণ গ্রহণ করে যে – অধমর্ণ
ইহ লোকে যা সামান্য নহে- অলোকসমান্য
একই সময়ে বর্তমান- সমসাময়িক
ইতিহাস রচনা করেন যিনি- ইতিহাসবেত্তা
একই গুরুর শিষ্য- সমসাময়িক
ঈষৎ আমিষ গন্ধ যার- আঁষ্টে
একই মায়ের পুত্র- সহোদর
ইমান নাই যার- বেইমান
এক বিষয়ে যার চিন্তা নিবিষ্ট- একাগ্রচিত্ত
ইমান আছে যার – ইমানদার
এর তুলা- ঈদৃশ
ঈষৎ উষ্ণ – ইষদুষ্ণ/কবোষ্ণ
একই স্বামীর পত্নী- সতিন
উপকার করা ইচ্ছা- উপচিকীর্ষা
এক সঙ্গে পাঠ করে যে- সহপাঠী
উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে- কৃতজ্ঞ
এক থেকে আরম্ভ করে- একাধিক্রমে
উপকারীর উপকার স্বীকার করে না যে- অকৃতজ্ঞ
একই ঈশ্বরে বিশ্বাস বা মত যার- একেশ্বরবাদী
উপকারীর অপকার করে যে- কৃতঘ্ন
উপায় নেই যার-নিরূপায়
উপকার করেন যিনি-উপকারী
উপকারীর উপকার স্বীকার করা-কৃতজ্ঞতা
ঐতিহ্য বহন করে যে- ঐতিহ্যবাহী
উপস্থিত বৃদ্ধি আছে যার- প্রত্যুৎপন্নমতি
ওষ্ঠ পর্যন্ত গেছে যা – ওষ্ঠাগত
ঊর্ণ নাভিতে যার- ঊর্ণনাভ
ঔষধ মিলে যেখানে – ঔষধালয়
ঊর্ধ্বদিকে মুখ যার – ঊর্ধ্বমুখ (নক্ষত্র)

ক’ সিরিয়াল




কী করতে হবে বুঝতে পারে না যে- কিংকর্তব্যবিমূঢ়
কন্ঠ পর্যন্ত – আকন্ঠ
কেউ জানতে পারে না এমনভাবে- অজ্ঞাতসারে
কোথাও উঁচু কোথাও নিচু- বন্ধুর
কুলের সমীপে- উপকূল
কবিতা লিখেন যিনি- কবি
কর্মে অতি দক্ষ- কর্মঠ
কম কথ বলে যে- মিতভাষী
কর্মে অতিশয় কুশল- কর্মকুশল
কন্ঠ সম্বন্ধীয়- কন্ঠ
কর্মে অতিশয় তৎপর- ত্বরিতকর্মা
কাঠের দ্বারা নির্মিত – কাঠরা
কর্মের অধিনায়ক যে- কর্মাধ্যক্ষ
কষ্টে পাওয়া যায় যা- কষ্টসাধ্য
কুৎসিত আকার যার- কদাকার
কর্ণ পর্যন্ত – আকর্ণ
ক্ষণে ক্ষণে- অনুক্ষণ
কর্ম করে যে- কর্মী/কর্মচারী
ক্ষয় হয় যা- ক্ষয়িষ্ণু
কোকিলেলর ডাক- কুহু

খ,গ,ঘ,চ,ছ’ সিরিয়াল

খাবার ইচ্ছা- ক্ষুধা
গৃহ বিষয়ক- গার্হস্থ্য
খ্যাতি আছে যার- খ্যাতিমান
ঘাম থেকে উৎপন্ন – ঘামাচি
খুব শীতও নয় খুব গরমও নয়- নাতীমীতোষ্ণ
ঘরের মতো ভাব – ঘরোয়া
খাবার যোগ্য- খাদ্য
চাষ করে যে- চাষি
গরু সম্বন্ধীয়- গব্য
চন্দ্র বিষয়ক- চান্দ্র
গোপন করার মতো- গোপনীয়
চর্বণ করে যা খাওয়া হয়- চর্ব্য
গোপ জাতীয় নারী – গোপী/গোপিনী
চুষে খাওয়া যায় যা – চোষ্য
গুরুর ডাক- হাম্বা
চৈত্র মাসের ফসল – চৈতালি
গুণ আছে যার- গুনী
চেটে খেতে হয় যা – লেহ্য
গৃহে থাকে যে- গৃহী
ছেলে ধরে যে- ছেলেধরা
গুণের মূল্য যিনি দেন- গুণগ্রাহী
ছোট গাছ – গাছড়া
গৃহিণীর কাজ- গৃহিনীপনা
ছেদ করা যায় না যা- অচ্ছেদ্য

 

জ থেকে ণ  সিরিয়াল

জয় করার ইচ্ছা- জিগীষা
টাক আছে যার- টাকওয়ালা
জানবার/জানার ইচ্ছা- জিজ্ঞাসা
ঠকায় যে – ঠকবাজ
জল দান করে যে- জলদ
ঠাকুরের ভাব- ঠাকুরালি
জলে ও স্থলে চরে যে- উভচর
ঠাকুরের স্ত্রী- ঠাকুরাণী
জল থেকে হয় যা/জল সম্বন্ধীয়- জলীয়
ডাকের জন্য গাড়ি – ডাকগাড়ি
জানু পর্যন্ত লম্বিত- আজানুলম্বিত
ডাকের জন্য মাশুল – ডাকমাশুল
জীবিত থেকেও যে মৃত – জীবন্মৃত
ঢাকার তৈরি- ঢাকাই
জলে চরে যে- জল
ঢাক বাজানো জীবিকা যার- ঢাকী
ঝগড়া করে যে – ঝগড়াটে
‘ণ’ হয় যে বিধানে- ণ-ত্ব বিধাণ
জীবন পর্যন্ত – আজীবন
ঢাল আছে যার- ঢালী
টাক পড়ছে যার- টেকো

ত,থ,দ,ধ,ন’ সিরিয়াল

তল স্পর্শ করা যায় না যার- অতলস্পর্শী
দান করে যে- দাতা
তীর ছোঁড়ে যে- তীরন্দাজ
দশরথের পুত্র- দশরথী (রাম)
তন্তু দিয়ে বয়ন করে যে- তন্তুরায়
দূর ভবিষ্যৎ চিন্তা করে যে- দূরদর্শী
তুলার তৈরি- তুলট
ধার আছে যার- ধারালো
ত্বরায় গমন করে যে- তুরঙ্গম
ধন আছে যার- ধনী
থানে থানে যে কাপড়- থানকাপড়
নিতান্ত দগ্ধ হয় যখন- নিদাঘ
দেখবার/দেখার ইচ্ছা- দিদৃক্ষা
নিন্দা করছে ইচ্ছা- জুগুপ্সা
দেশকে যিনি ভালোবাসেন- দেশপ্রেমিক
নিশাকালে চরে বেড়ায় যে- নিশাচর
দিনের প্রথম ভাগ- পূর্বাহ্ন
নষ্ট হওয়াই স্বভাব যার- নশ^র
দিনের শেষ ভাগ- অপরাহ্ন
নদী মাতা যার- নদীমাতৃক
দিনের মধ্য ভাগ- মধ্যাহ্ন
পূপুরের ধ্বনি- নিক্বণ
দয়া আছে যার- দয়ালু
নগর সম্বন্ধীয়- নাগরিক

প,ফ’ সিরিয়াল

পত্নীর সহিত বর্তমান- সপত্নীক
প্রতিকার ইচ্ছা- প্রতিচিকীর্ষা
পা দ্বারা পান করে যে- পাদপ
পঙুক্তিতে বসার অযোগ্য- অপাঙক্তেয়
পা ধোওয়ার জল- পাদ্য
পা থেকে মাথা পর্যন্ত- আপাদমস্তক
পাখির ডাক- কূজন
পান করার ইচ্ছা- পিপাসা
পুত্রের পৌত্র- প্রপৌত্র
প্রিয় কথা/ বাক্য বলে যে রমণী- প্রিয়ংবদা
পট আঁকা যে- পটুয়া
পঙ্কে জন্মে যা- পঙ্কজ
পিতার ভ্রাতা- পিতৃব্য
পরের অধীন- পরাধীন
পূর্বে যা আস্বাদিত হয় নাই- অনাস্বাদিতপূর্ব
ফাঁস দিয়ে মানুষ মারে যে- ফাঁসুরে
ফূল থেকে তৈরি – ফুলেল

ব,ভ,ম’ সিরিয়াল




ভোজন কর্রা ইচ্ছা- বুভুক্ষা
ভুজ বা বাহুতে ভর করে চলে যে- ভুজঙ্গম
ভ্রাতাদের মধ্যে সদ্ভাব- সৌভ্রাত
বিশ^জনের হিতকর- বিশ্বজনীন
ভ্রমণ করে যে- ভ্রমণকারী
বাঘের চামড়া- কৃত্তি
ভাতের অভাব- হাভাত
বলার ইচ্ছা- বিবক্ষা
ভিক্ষার অভাব- দুর্ভিক্ষা
বুকে হেঁটে গমন করে যে- সরীসৃপ
মরণ পর্যন্ত- আমরণ
বিদেশে থাকে যে- প্রবাসী
ময়ূরের ডাক- কেকা
বুুদ্ধি আছে যার- বুদ্ধিমান
মৃতের মতো অবস্থা যার- মুমূর্ষু
বশ করা হয়েছে যাহাকে- বশীভুত
মৃত্যু পর্যন্ত- আমৃত্যু
বহুর মধ্যে প্রধান- শ্রেষ্ঠ
মুক্তি পেতে ইচ্ছুক- ঘুমুক্ষু
বন্দনা করা যোগ্য- বন্দ্য
মনে যার জন্ম- মনসিজ
বাঘের ডাক- গর্জন
মাটির মতো রং যার- খাকি
বমন করার ইচ্ছা- বিবমিষা
মৃত গবাদি পশু ফেলা হয় যেখানে- ভাগাড়
ব্যাঙের ছানা- ব্যাঙাচি
মশাল বহন করে যে- মশালচী
বিদেশ থেকে আগত- বৈদেশিক
মামলা করতে পারদর্শী- মামলাবাজ
ব্যাকরণ জানেন যিনি- বৈয়াকরণ
মধূ সংগ্রহ করে যে- মধুকর
বয়সের তুল্য- বয়স্য
মাটি দিয়ে গড়া- মৃন্ময়

য’ সিরিয়াল

যন্ত্র দ্বারা চালিত- যান্ত্রিক
যা বিনা যত্নে লাভ করা হয়েছে- অযত্নলব্ধ
যথা অর্থ যা- যথার্থ
যা শব্দ করছে- শব্দারমান
যুদ্ধে যে জয় করে- বিজয়ী
যা অন্য ব্যক্তিতে নাই- অনন্যসাধারণ
যে স্তন্য পান করে- স্তন্যপায়ী
যা ঘূর্ণিত হচ্ছে- ঘূর্ণায়মান
যে রমনী অপরের দ্বারা পালিত- পরভৃতিকা
যা বিনা যত্নে এসেছে- অযত্নাগত
যে রোগ নির্ণয় করতে হাতড়ে মরে- হাতুড়ে
যা সাধারণত দেখা যায় না- অসাধারণ
যে কোনো বিষয়ে স্পৃহা হারিয়েছে- বীতস্পৃহ
যা পূর্বে কখনো দেখা যায় নি- অদৃষ্টপূর্ব
যে বা যা প্রবীণ বা প্রাচীন নয়- অর্বাচীন
যা সহজ লাভ করা যায়- সুলভ
যে ভাঙ্গের (গাজাঁ) নেশা করে- গেঁজেল
যে কষ্টে লাভ করে যায়- দুর্লভ
যে মদের নেশা করে- মাতাল
যা কষ্টে জয় করা যায়- দুর্জয়
যে নারীরা হিংসা নেই- অনুসূয়া
যা মাটি ভেদ করে ওঠে- উদ্ভদ
যে পুরুষ পত্নী বিদেশে থাকে- প্রোষিতপত্নীক
যা দেখা যায় না- অদৃশ্য
যে হিত কামনা করে- হিতেষী/হিতাকাক্সক্ষী
যা যুক্তিসঙ্গত নয়- অযৌক্তিক
যে যুদ্ধ করে- যোদ্ধ
যা দমন করা যায় না- অদম্য
যে নারী পূর্বে অপরের বাগদত্তা বা পত্নী- অন্যপূর্বা
যা দমন করা কষ্টকর- দুর্দমনীয়
যে অপরের পৃষ্ঠপোষকতা করে- ভিক্ষাজীবী
যা হতে পারে- সম্ভব
যে অন্যের অধীন নয়- স্বাধীন
যা জলে জন্মে- জলজ




যে নৌকা চালায়- মাঝি
যা ভেদ করা দুঃসাধ্য- দুর্ভেদ্য
যে সত্য কথা বলে- সত্যবাদী
যা পরিমাণ করা যায় না- অপরিমেয়
যে বিদেশে থাকে- প্রবাসী
যা চিন্তা করা যায় না- অচিন্তানীয়, অচিন্তা
যে গাছে ফল হয় কিন্তু ফুল হয় না- বনস্পতি
যা বিশ্বাস করা যায় না- অবিশ্বাস্য
যে বেশি কথা বলে- বাচাল
যা ক্ষমার যোগ্য- ক্ষমার্হ
যে গাছ কোনো কাজে লাগে না- আগাছা
যা অতি কষ্টে সাধন করা যায়- দুঃসাধ্য
যে গাছ অন্য গাছের উপর জন্মে- আগাছা
যা শিরে ধারণ করার যোগ্য- শিরোধার্য
যে ভিক্ষা করে- ভিক্ষুক
যা বলা হচ্ছে- বক্ষ্যমাণ
যে সাপ ধরতে পটু- সাপুড়ে
যা অন্যে সুলভ নয়- অনন্যসুলভ
যে বিষয়ে কোন বিতর্ক নেই- অবিসংবাদী
যা লোক বিদিত- লৌকিক
যে দিনে একবান আহার করে- একাহারী
যা পরকাল সম্বন্ধীয়- পারলৌকিক
যে রব শুনে এসেছে- রবাহৃত
যা সরোবরে জন্মে- সরোজ, সরজিস
যে বন হিং¯্র জন্তুতে পরিপূর্ণ- শ্বাপদসঙ্কুল
যা সহজে উচ্চারণ করা যায় না- দুরুচ্চার্য
যে নৌকা দ্বারা জীবিকা চালায়- নাবিক
যা থেকে ধূম উদগীরণ হচ্ছে- ধূমায়মান
যে শুনেই মনে রাখতে পারে- শ্রুতিধর
যা হতে পারে না- অসম্ভব
যে সর্বস্ব হারিয়েছে- সর্বহারা
যা লাফিয়ে চলে- প্লবণ
যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে- অবিমৃষ্যকারী
যা বপন করা হয়েছে- উপ্ত
যে ব্যয় করতে কুন্ঠাবোধ করে- ব্যয়কুন্ঠ, কৃপণ
যা বলা হয়েছে- উক্ত
যে কেবল আপনার স্বার্থ চায়- স্বার্থপর
যা বলা হয়নি- উনুক্ত
যে বিচেনা না করে কাজ করে- অপরিণামদর্শী
যা সহজে ভেঙে যায়- ভঙ্গুর
যে ক্রমাগত রোদন করছে- রোরুদ্যমান
যা চলছে- চলমান
যে জমিতে ফসল জন্মে না- অনুর্বর
যা উদিত হচ্ছে- উদীয়মান
যে জমিতে দু‘বার ফসল হয়- দোফসলি
যা দীপ্তি পাচ্ছে- দেদীপ্যমান
যে পুরুষ দেখতে সুন্দর- সুদর্শন
যা বার বার দুলছে-দোদুল্যমান
যে নারী দেখতে সুন্দর- সুদর্শনা
যা পান করতে হয়- পেয়, পানীয়
যে রমনীয় হাসি সুন্দর- সুহাসিনী
যা পূর্বে ছিল এখন নেই- ভূতপূর্ব
যে রমনীর হাসি পবিত্র- শুচিস্মিতা
যা পূর্বে ঘটেনি- অভূতপূর্ব
যে নারীর সুন্দর কেশ আর্ছে- সুকেশী
যা পূর্বে শোনা যায়নি- অশ্রুতপূর্ব
যে নারীর নয়ন (চক্ষু) সুন্দর- সুনয়না
যার আকার নেই- নিরাকার
যে নারীর বিবাহ হয়নি- অনূঢ়া, কুমারী
যার মূলে ঈর্ষা আছে- ঈর্ষামূলক
যে নারীর সম্প্রতি বিবাহ হয়েছে- নবোঢ়া
যার সংখ্যা গণনা করা যায় না- অসংখ্য
যে নারীর সন্তান হয় না- বন্ধ্যা
যার শেষ নেই- অসীম
যে নারীর সন্তান হয়ে বাঁচে না- মৃতবৎসা
যার চোখে লজ্জা নাই- নিরভিমান
যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে- বীরপ্রসূ
যার প্রভা ক্ষণকাল স্থায়ী হয়- ক্ষণপ্রভা
যে নারী স্বয়ং পতিকে বরণ করে- স্বয়ংবরা
যার হৃদয় শোভন- সুহৃদ
যে নারীর স্বামী মারা গিয়েছে- বিধবা
যার বসন আলগা- অসংবৃত
যে নারীর স্বামী বিদেশে থাকে- প্রেষিতভর্তৃকা
যার উচ্চাকাক্সক্ষা আছে- উচ্চাকাক্সক্ষী
যে নারী কখনও সুর্য দেখেনি- অসূর্যস্পশ্যা
যার দ্বিতীয় নেই- অদ্বিতীয়
যে পুরুষ বিবাহ করেছে- কৃতদার
যার সর্বস্ব হৃত হয়েছে- হৃতসর্বস্ব
যে জামাই শ্বশুরবাড়িতে থাকে- ঘরজামাই
যার ভয় নেই- নির্ভীক
যে বাস্তু হতে উৎখাত হয়েছে- উদ্বাস্তু
যার তুলনা নাই- অতুলনীয়
যে সব কিছু ভক্ষণ করে- সর্বভুক্ত
যার জটা আছে – জটাধারী
যিনি প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেন- লব্ধপ্রতিষ্ঠ
যার পূর্বজন্মের কথা স্মরণ থাকে- জাতিস্মর
যিনি সৃষ্টি করেছেন বা করেন- ¯্রষ্টা
যার মমতা নেই- নির্মম
যিনি মায়া (কপটতা) জানেন না- অমায়িক
যার লজ্জা নেই- বেহায়া
যিনি বক্তৃতা দানে পটু- বাগ্মী
যার মা-বাবা নেই- অনাথ
যিনি অনেক ভাষা জানেন- বহুভাষাবিদ
যার অন্য উপায় নেই- নিরুপায়
যিনি সর্বত্র গমন করেন- সর্বগ
যার শত্রু আজও জন্মেনি- অজাতশত্রু
যিনি জ্যোতিষ শাস্ত্র জানেন- জ্যোতির্বিদ
যার রোগ আছে- রোগা
যিনি যুদ্ধে স্থির থাকেন- যুধিষ্ঠির
যার বিশেষ খ্যাতি আছে- বিখ্যাত
যিনি অধিক ব্যয় করেন না- মিতব্যয়ী
যার কিছু নেই- অকিঞ্চন
যিনি স্মৃতিশাস্ত্র জানেন- স্মার্ত
যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে- সর্বহারা
যিনি ন্যায় শাস্ত্রে পন্ডিত- নৈয়ায়িক
যার কোথাও থেকে ভয় নেই- অকুতোভয়
যিনি অধ্যাপনা করে- কৃতবিদ্য
যার এখনও দাড়ি উঠেনি- অজাতশ্মশ্রু
যিনি সকল অত্যাচার সহ্য করেন- সর্বৎসহা ( পৃথিবী)
যার স্ত্রী মারা গিয়েছে- বিপত্নীক
যিনি অধ্যাপনা করেন- অধ্যাপক
যার পুত্র নেই বা হয় নি- অপুত্রক
যা ঘটতে পারে- ঘটনীয়
যার জায়া (স্ত্রী) যুবতী- যুবজানি
যা বুকে হেঁটে যায়- উরগ
যার পর‌্যাবসান ঘটিয়াছে- পর্যবসিত
যা কষ্টে শাসন করা যায়- দুঃশাসন
যার ইুঁশ নাই- বেহুঁশ
যা আঘাত পায় নি- অনাহত
যার গন্ধ নাই- নির্গন্ধ
যার অস্তগমন করছে- অস্তায়মান
যার কুলশীল জানা নেই- অজ্ঞাতকুলশীল
যা সহজ চিকিৎসার দ্বারা আরাম হয় না – দুশ্চিকিৎসা
যার রোগ নেই- নীরোগ
যা ক্রমে ক্রমে বাড়ছে- ক্রমবর্ধমান
যার গন্ধ ভালো- সুগন্ধি / সুগন্ধ
যার দ্বারা ছেরদ করা হয়- ছেদনী, ছেনী
যার নাম কেউ জানে না- অজ্ঞাতনামা
যার আঘাত দ্বারা সহজে ভাঙে না- ঘাতসহ
যার অন্য কোনো কর্ম নেই- অনন্য কর্মা
যা নিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে- পরিবর্তনশীল
যাকে নিন্দা করা যায় না- অনিন্দনীয়/অনিন্দ্য
যা পুনঃ পুনঃ জ্বলছে- জাজ্জ¦ল্যমান
যাতে হৃদয় বিদীর্ণ হয়- হৃদয়বিদারক
যা প্রশংসার যোগ্য- প্রশংসনীয়
যেখানে চারটি রাস্তা মিলেছে- চৌরাস্তা
যা সহজে অতিক্রম করা যায় না- দুরতিক্রম্য
যা মুষ্টি দ্বারা পরিমাপ করা যায়- মুষ্টিমেয়
যা লঙ্ঘন করা দুরূহ- দুর্লঙ¦নীয়
যা বাক্যে প্রকাশ করা যায় না- অনির্বচনীয়

র,ল,শ,স,হ’ সিরিয়াল





রাতের গভীর – নিশীথ
সোনার মতো- সোনালী
রোগীর মতো- রোগাটে
সমান পতি যার- সপত্নী
লাভ করার ইচ্ছা- লিপ্সা
সিংহের ডাক- হুঙ্কার
লবণাক্ত নয় যা- আলুনি
সকলের মধ্যে শ্রেষ্ঠ- সর্বশ্রেষ্ঠ
শক্তিকে অতিক্রম না করিয়া- যথাশক্তি
সন্তান প্রসব করে যে- প্রসূতি
শত্রুকে হনন করে যে- শত্রুঘ্ন
স্বয়ং যিনি হয়েছেন- স্বয়ম্ভু
শ্রবণ করার ইচ্ছা- শ্রবণেচ্ছা
স্থলে চরে যে- স্থলচর
শ্রবণ করার যোগ্য- শ্রাব্য
সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা – প্রত্যুদগমন
শিশুর ভাব- শৈশব
হনন করার ইচ্ছা- জিঘাংসা
শিক্ষা দেন যে – শিক্ষক
হরিণের চামড়া- অজিনে
শুভক্ষণে জন্ম যার- ক্ষণজন্মা
হাতির চিৎকার- বৃংহতি
শহরে থাকে যে- শহুরে
হিমালয় থেকে সমুদ্র পর্যন্ত- আসমুদ্রহিমাচল
সকলের জন্য প্রযোজ্য / হিতকর- সর্বজনীন
হিসাব করে চলে যে- হিসাবি
সিংহের গর্জন – নাদ
হিত করেন যে- হিতকারী
সমুদ্র পর্যন্ত- আসমুদ্র
হাজির নেই যে- গরহাজির
সব জানে যে- সবজান্তা
হিসাব নেই যার- বেহিসাবি

Share this post.....

Comments are closed.

HBNU